ঢাকা ০৩:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যু, নির্বাচন স্থগিত একটি আসনে জয়–পরাজয়ের ফ্যাক্টর হরে পারে ১.২ শতাংশ পোস্টাল ভোট নির্বাচনে ব্যস্ত ৩৫ হেলিকপ্টার, ব্যবহার করছেন কারা? নির্বাচনে বিএনপি কেন ষড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছে? ধানের শীষের প্রচারণায় আ’লীগের সাবেক প্রতিমন্ত্রীর স্ত্রী র‍্যাবের নাম বদলে দিচ্ছে সরকার, নতুন নাম জানালো বিএনপিকে ধরাশায়ী করতে তৎপর ৯২ বিদ্রোহী প্রার্থী বিশ্ব ক্যান্সার দিবস উপলক্ষে উত্তরা লেডিস ক্লাবে ক্যান্সার সচেতনতা সেমিনার অনুষ্ঠিত বিমানের এমডি স্ত্রীসহ গ্রেপ্তার, আদালতের নির্দেশে কারাগারে জুলাই গণ–অভ্যুত্থান নিয়ে ৮৩৭টি হত্যা মামলা, ৪৫৩টিতেই শেখ হাসিনা আসামী

জয়–পরাজয়ের ফ্যাক্টর হরে পারে ১.২ শতাংশ পোস্টাল ভোট

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 36

দেশে হেলিকপ্টার ব্যবহারের চিত্র

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

দেশে এই প্রথম চালু হয়েছে পোস্টাল ভোট ব্যবস্থা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করা প্রবাসীরা ইতোমধ্যে ব্যালট দেশে পাঠানো শুরু করেছেন। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে সোয়া ১৫ লাখের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন করেছেন, যা মোট ভোটারের ১ দশমিক ২ শতাংশ। এই ভোট অনেক আসনে জয়–পরাজয়ের ব্যবধান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত দেড় লক্ষাধিক প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। সংখ্যায় কম মনে হলেও এই ভোট কোনো কোনো আসনে বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ১৮টি আসনে পোস্টাল ভোটারের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। সাধারণ ভোটে পিছিয়ে থাকা কোনো প্রার্থী পোস্টাল ব্যালটে বেশি ভোট পেলে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে এবার পোস্টাল ভোট জয়–পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটের জন্য ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ জন ভোটারের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসী ভোটার ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। তবে প্রবাসে মোট কতজন বাংলাদেশি ভোটার আছেন—এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য নেই।

বাকি নিবন্ধনকারীরা দেশের ভেতর থেকে আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে পৌনে ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী, প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার নির্বাচনি কর্মকর্তা, ১০ হাজার আনসার ও ভিডিপি সদস্য এবং ছয় হাজারের কিছু বেশি কারাবন্দি।

পোস্টাল ব্যালট ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক সময়ে ব্যালট পাঠানো ও ফেরত আনা। এ কারণে পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধিত ভোটাররা নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগেই ভোট দিতে পারবেন, যাতে ব্যালট সময়মতো দেশে পৌঁছায়।

১৫ লাখের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করলেও সবাই যে ভোট দেবেন, তা নিশ্চিত নয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে কোনো পোস্টাল ব্যালট পৌঁছাতে না পারলে সেটি গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।

১৮টি আসনে ১০ হাজারের বেশি পোস্টাল ভোট

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ১০ হাজার ভোটের কম ব্যবধানে জয়–পরাজয় নির্ধারিত হয়েছিল। এবারও আসনভিত্তিক হিসাবে দেশ–বিদেশ মিলিয়ে ১৮টি আসনে পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।

সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে ফেনী–৩ আসনে—১৬ হাজার ৩৮ জন। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম–১৫ (১৪ হাজার ২৭২), কুমিল্লা–১০ (১৩ হাজার ৯৩৮), নোয়াখালী–১ (১৩ হাজার ৫৯২), নোয়াখালী–৩ (১২ হাজার ৭৪৫) এবং ফেনী–২ (১২ হাজার ৫৪১) আসন।

১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন কুমিল্লা–৪, ৫, ৬, ৯ ও ১১, সিলেট–১, চাঁদপুর–৫, নোয়াখালী–৪ ও ৫, ফেনী–১, কক্সবাজার–৩ এবং লক্ষ্মীপুর–২ আসনে।

এ ছাড়া ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারের কম পোস্টাল ভোটার রয়েছে এমন আসন ৯৭টি। বাকি আসনগুলোতে নিবন্ধিত পোস্টাল ভোটারের সংখ্যা ৫ হাজারের নিচে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম বাগেরহাট–৩ আসনে—১ হাজার ৫৯৫ জন।

বিভিন্ন স্তরে পোস্টাল ভোটার সংখ্যা

🔹 ৮ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধিত এমন আসন ১০টি—
ঢাকা–৮, মুন্সীগঞ্জ–১, চাঁদপুর–৩, চাঁদপুর–২, কুমিল্লা–১, কুমিল্লা–৮, ঢাকা–১, ঢাকা–১৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ ও রাজবাড়ী–২।

🔹 ৭ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আসন ১১টি—
সিলেট–৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–৩, চাঁদপুর–১, চট্টগ্রাম–২, ঢাকা–১৫, কিশোরগঞ্জ–২, কুমিল্লা–২, যশোর–২, ঝিনাইদহ–২, লক্ষ্মীপুর–১ ও পার্বত্য খাগড়াছড়ি।

🔹 ৬ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আসন ২১টি—
নরসিংদী–৫, যশোর–৩, চট্টগ্রাম–৫, চট্টগ্রাম–১৬, মৌলভীবাজার–৩, বরিশাল–৫, শরীয়তপুর–২, নারায়ণগঞ্জ–৩, চট্টগ্রাম–১, মৌলভীবাজার–১, কিশোরগঞ্জ–১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১, ঢাকা–১০, বরগুনা–১, ময়মনসিংহ–৪, সাতক্ষীরা–২, নরসিংদী–৪, সিলেট–৩, চট্টগ্রাম–১০, মাদারীপুর–৩ ও ঢাকা–৯।

🔹 ৫ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে ৪৬টি আসনে।
আর ১ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজারের কম পোস্টাল ভোটার নিবন্ধিত এমন আসন রয়েছে ১৭৬টি।

যেভাবে পোস্টাল ভোট দেওয়া হচ্ছে

নির্বাচন কমিশনের পাঠানো খামে থাকবে দুটি ব্যালট পেপার—একটি গণভোটের জন্য, অন্যটি সংসদ নির্বাচনের জন্য। খাম পাওয়ার পর ভোটারকে অপেক্ষা করতে হবে। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলে অ্যাপে প্রবেশ করে নিজ আসনের প্রার্থীদের তালিকা দেখা যাবে।

ভোটারের হাতে থাকা ব্যালটে শুধু প্রতীক থাকবে, কোনো নাম থাকবে না। অ্যাপে প্রার্থীর তালিকা দেখে ব্যালটে ভোট ও গণভোট দিয়ে ব্যালট ফিরতি খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা পোস্টবক্সে ফেলতে হবে। সেখান থেকে ব্যালট সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাবে এবং নির্বাচনের দিন গণনা করা হবে। নির্বাচনের পর পৌঁছানো কোনো ব্যালট গণনায় ধরা হবে না।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন,

“পোস্টাল ব্যালট ভোটিংয়ে একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক সময়ে ব্যালট পৌঁছানো এবং তা ফেরত নিয়ে আসা। এজন্য পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধনকারীরা দেশের নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে ভোট দিতে পারবেন, যাতে নির্বাচনের আগেই ব্যালট এসে পৌঁছায়।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আনোয়ারুল ইসলাম অভি

সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভি ডটকম

জয়–পরাজয়ের ফ্যাক্টর হরে পারে ১.২ শতাংশ পোস্টাল ভোট

আপডেট সময় : ১২:৩৬:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

দেশে এই প্রথম চালু হয়েছে পোস্টাল ভোট ব্যবস্থা। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ভোট দিতে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ অ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধন করা প্রবাসীরা ইতোমধ্যে ব্যালট দেশে পাঠানো শুরু করেছেন। দেশ ও বিদেশ মিলিয়ে সোয়া ১৫ লাখের বেশি ভোটার পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন করেছেন, যা মোট ভোটারের ১ দশমিক ২ শতাংশ। এই ভোট অনেক আসনে জয়–পরাজয়ের ব্যবধান নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে।

নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সূত্র জানায়, এখন পর্যন্ত দেড় লক্ষাধিক প্রবাসীর ব্যালট বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছে। সংখ্যায় কম মনে হলেও এই ভোট কোনো কোনো আসনে বড় ব্যবধান গড়ে দিতে পারে। বিশেষ করে ১৮টি আসনে পোস্টাল ভোটারের সংখ্যা ১০ হাজারের বেশি। সাধারণ ভোটে পিছিয়ে থাকা কোনো প্রার্থী পোস্টাল ব্যালটে বেশি ভোট পেলে জয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। সে কারণে এবার পোস্টাল ভোট জয়–পরাজয়ে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

ইসির তথ্য অনুযায়ী, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মোট ভোটার সংখ্যা ১২ কোটি ৭৭ লাখ ১১ হাজার ৮৯৫ জন। ৩০০ সংসদীয় আসনে ভোটের জন্য ১৫ লাখ ২৭ হাজার ১৫৫ জন ভোটারের পোস্টাল ভোট নিবন্ধন অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রবাসী ভোটার ৭ লাখ ৬০ হাজারের কিছু বেশি। তবে প্রবাসে মোট কতজন বাংলাদেশি ভোটার আছেন—এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য নেই।

বাকি নিবন্ধনকারীরা দেশের ভেতর থেকে আবেদন করেছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে পৌনে ছয় লাখ সরকারি চাকরিজীবী, প্রায় এক লাখ ৬০ হাজার নির্বাচনি কর্মকর্তা, ১০ হাজার আনসার ও ভিডিপি সদস্য এবং ছয় হাজারের কিছু বেশি কারাবন্দি।

পোস্টাল ব্যালট ভোটিংয়ের ক্ষেত্রে বড় চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক সময়ে ব্যালট পাঠানো ও ফেরত আনা। এ কারণে পোস্টাল ভোটের জন্য নিবন্ধিত ভোটাররা নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগেই ভোট দিতে পারবেন, যাতে ব্যালট সময়মতো দেশে পৌঁছায়।

১৫ লাখের বেশি ভোটার পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধন করলেও সবাই যে ভোট দেবেন, তা নিশ্চিত নয়। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের দিন বিকেল সাড়ে চারটার মধ্যে কোনো পোস্টাল ব্যালট পৌঁছাতে না পারলে সেটি গণনায় অন্তর্ভুক্ত হবে না।

১৮টি আসনে ১০ হাজারের বেশি পোস্টাল ভোট

২০০৮ সালের নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০টি আসনে ১০ হাজার ভোটের কম ব্যবধানে জয়–পরাজয় নির্ধারিত হয়েছিল। এবারও আসনভিত্তিক হিসাবে দেশ–বিদেশ মিলিয়ে ১৮টি আসনে পোস্টাল ভোটে নিবন্ধন ১০ হাজার ছাড়িয়েছে।

সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে ফেনী–৩ আসনে—১৬ হাজার ৩৮ জন। এরপর রয়েছে চট্টগ্রাম–১৫ (১৪ হাজার ২৭২), কুমিল্লা–১০ (১৩ হাজার ৯৩৮), নোয়াখালী–১ (১৩ হাজার ৫৯২), নোয়াখালী–৩ (১২ হাজার ৭৪৫) এবং ফেনী–২ (১২ হাজার ৫৪১) আসন।

১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন কুমিল্লা–৪, ৫, ৬, ৯ ও ১১, সিলেট–১, চাঁদপুর–৫, নোয়াখালী–৪ ও ৫, ফেনী–১, কক্সবাজার–৩ এবং লক্ষ্মীপুর–২ আসনে।

এ ছাড়া ৫ হাজার থেকে ১০ হাজারের কম পোস্টাল ভোটার রয়েছে এমন আসন ৯৭টি। বাকি আসনগুলোতে নিবন্ধিত পোস্টাল ভোটারের সংখ্যা ৫ হাজারের নিচে। এর মধ্যে সবচেয়ে কম বাগেরহাট–৩ আসনে—১ হাজার ৫৯৫ জন।

বিভিন্ন স্তরে পোস্টাল ভোটার সংখ্যা

🔹 ৮ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধিত এমন আসন ১০টি—
ঢাকা–৮, মুন্সীগঞ্জ–১, চাঁদপুর–৩, চাঁদপুর–২, কুমিল্লা–১, কুমিল্লা–৮, ঢাকা–১, ঢাকা–১৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়া–৫ ও রাজবাড়ী–২।

🔹 ৭ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আসন ১১টি—
সিলেট–৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–৩, চাঁদপুর–১, চট্টগ্রাম–২, ঢাকা–১৫, কিশোরগঞ্জ–২, কুমিল্লা–২, যশোর–২, ঝিনাইদহ–২, লক্ষ্মীপুর–১ ও পার্বত্য খাগড়াছড়ি।

🔹 ৬ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আসন ২১টি—
নরসিংদী–৫, যশোর–৩, চট্টগ্রাম–৫, চট্টগ্রাম–১৬, মৌলভীবাজার–৩, বরিশাল–৫, শরীয়তপুর–২, নারায়ণগঞ্জ–৩, চট্টগ্রাম–১, মৌলভীবাজার–১, কিশোরগঞ্জ–১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ–১, ঢাকা–১০, বরগুনা–১, ময়মনসিংহ–৪, সাতক্ষীরা–২, নরসিংদী–৪, সিলেট–৩, চট্টগ্রাম–১০, মাদারীপুর–৩ ও ঢাকা–৯।

🔹 ৫ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে ৪৬টি আসনে।
আর ১ হাজার ৫০০ থেকে ৫ হাজারের কম পোস্টাল ভোটার নিবন্ধিত এমন আসন রয়েছে ১৭৬টি।

যেভাবে পোস্টাল ভোট দেওয়া হচ্ছে

নির্বাচন কমিশনের পাঠানো খামে থাকবে দুটি ব্যালট পেপার—একটি গণভোটের জন্য, অন্যটি সংসদ নির্বাচনের জন্য। খাম পাওয়ার পর ভোটারকে অপেক্ষা করতে হবে। প্রার্থিতা চূড়ান্ত হলে অ্যাপে প্রবেশ করে নিজ আসনের প্রার্থীদের তালিকা দেখা যাবে।

ভোটারের হাতে থাকা ব্যালটে শুধু প্রতীক থাকবে, কোনো নাম থাকবে না। অ্যাপে প্রার্থীর তালিকা দেখে ব্যালটে ভোট ও গণভোট দিয়ে ব্যালট ফিরতি খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা পোস্টবক্সে ফেলতে হবে। সেখান থেকে ব্যালট সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পৌঁছাবে এবং নির্বাচনের দিন গণনা করা হবে। নির্বাচনের পর পৌঁছানো কোনো ব্যালট গণনায় ধরা হবে না।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জাগো নিউজকে বলেন,

“পোস্টাল ব্যালট ভোটিংয়ে একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক সময়ে ব্যালট পৌঁছানো এবং তা ফেরত নিয়ে আসা। এজন্য পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধনকারীরা দেশের নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে ভোট দিতে পারবেন, যাতে নির্বাচনের আগেই ব্যালট এসে পৌঁছায়।”