ঢাকা ০১:০৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কলমাকান্দায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মে ২০২১
  • / 879
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নেত্রকোনার কলমাকান্দার রংছাতি  ইউনিয়নের ব্যস্তপুর গ্রামের দাখিল মাদ্রাসায় ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর বিয়ের আয়োজন করেছিল তাদের পরিবার।

বিয়েটি রবিবার (১৬ মে)  দুপুরে  হওয়ার কথা ছিল। এর আগে আর ওই শিক্ষার্থীর বিয়ের জন্য তার ও বরের পরিবার সম্মতিতে বিজ্ঞ  নোটারি পাবলিক সমগ্র বাংলাদেশ (ময়মনসিংহ) মাধ্যমে তাদের বিবাহ সংক্রান্ত একটি এফিডেভিট  সম্পন্ন করান তাদের পরিবার। এ খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার  রংছাতি  ইউনিয়নের ব্যস্তপুর গ্রামের দাখিল মাদ্রাসায় ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে উপজেলার কলমাকান্দা সদর  ইউনিয়নের বারমারা গ্রামের এক যুবকের  বিয়ের আয়োজন করা হয়। বর দুপুরে  দিকে কনের বাড়িতে আসার কথা ছিল। গোপনে  এ খবর পেয়ে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা নেতৃত্বে পুলিশের একটি দলসহ কনের বাড়িতে হাজির হয় । সেখানে বর কনের বাড়িতে এসে পৌঁছাতে না পারলেও বিয়ের সব রকম প্রস্তুতিই ছিল। তাদের দেখে মেয়ের বাবাসহ অন্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

কলমাকান্দায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্যবিবাহ বন্ধ

আপডেট সময় : ০৫:০০:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মে ২০২১

নেত্রকোনার কলমাকান্দার রংছাতি  ইউনিয়নের ব্যস্তপুর গ্রামের দাখিল মাদ্রাসায় ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিক্ষার্থীর বিয়ের আয়োজন করেছিল তাদের পরিবার।

বিয়েটি রবিবার (১৬ মে)  দুপুরে  হওয়ার কথা ছিল। এর আগে আর ওই শিক্ষার্থীর বিয়ের জন্য তার ও বরের পরিবার সম্মতিতে বিজ্ঞ  নোটারি পাবলিক সমগ্র বাংলাদেশ (ময়মনসিংহ) মাধ্যমে তাদের বিবাহ সংক্রান্ত একটি এফিডেভিট  সম্পন্ন করান তাদের পরিবার। এ খবর পেয়ে ওই শিক্ষার্থীর বাল্যবিবাহ বন্ধ করে দিয়েছেন উপজেলা প্রশাসন।

উপজেলা মহিলা বিষয়ক কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার  রংছাতি  ইউনিয়নের ব্যস্তপুর গ্রামের দাখিল মাদ্রাসায় ৮ম শ্রেণিতে পড়ুয়া ওই শিক্ষার্থীর সঙ্গে উপজেলার কলমাকান্দা সদর  ইউনিয়নের বারমারা গ্রামের এক যুবকের  বিয়ের আয়োজন করা হয়। বর দুপুরে  দিকে কনের বাড়িতে আসার কথা ছিল। গোপনে  এ খবর পেয়ে  উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা নেতৃত্বে পুলিশের একটি দলসহ কনের বাড়িতে হাজির হয় । সেখানে বর কনের বাড়িতে এসে পৌঁছাতে না পারলেও বিয়ের সব রকম প্রস্তুতিই ছিল। তাদের দেখে মেয়ের বাবাসহ অন্যরা বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।