ঢাকা ১২:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
 কাকরদিয়া- তেরাদল- আলিপুর এডুকেশন ট্রাস্ট ইউকের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু জামায়াত আমির বললেন, গালে হাত দিয়ে বসে থাকব না, গর্জে উঠব পাঁচ লাখ অভিবাসীকে বৈধ করবে স্পেন পৃথিবীতে জালিয়াতিতে চ্যাম্পিয়ন বাংলাদেশ: প্রধান উপদেষ্টা পুরস্কার ঘোষণা করে কী লাভ হলো? লুটের অস্ত্র অপরাধীদের হাতে, নির্বাচন ঘিরে ‘বাড়তি উদ্বেগ’ পে স্কেল নিয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচিতে সরকারি কর্মচারীরা যুক্তরাজ্যে ‘অতিদারিদ্র্যে’ রেকর্ডসংখ্যক মানুষ, তালিকায় বাংলাদেশিরাও ভোট দিয়ে ফেলেছেন ৪ লাখ প্রবাসী প্রবাসীদের হাত ধরে বিদেশি বিনিয়োগ এলে মিলবে নগদ প্রণোদনা ‘বেস্ট অনলাইন নিউজ রিপোর্টার ইন লন্ডন’ অ্যাওয়ার্ড পেলেন আনোয়ারুল ইসলাম অভি

এবার গোটা আফগানিস্তানে বন্ধ মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০১:০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 331

আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আফগানিস্তানে সোমবার সারাদিন ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সেবা কার্যত বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দেশজুড়ে ফাইবার-অপটিক সেবা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে এই ব্ল্যাকআউট ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটিকে তালেবানের অনৈতিকতার বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে তালেবান প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা দেয়নি। খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তালেবান কর্মকর্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি, ভিডিও ও লেখাসহ অনৈতিক কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এ সময় কিছু প্রদেশে ফাইবার-অপটিক সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়।

আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট নজরদারি সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, দেশজুড়ে ধাপে ধাপে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান বর্তমানে পূর্ণমাত্রার ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখে রয়েছে, কারণ তালেবান কর্তৃপক্ষ নৈতিকতা-সংক্রান্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই পদক্ষেপ সাধারণ জনগণের বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সক্ষমতাকে কঠোরভাবে সীমিত করতে পারে।

২০২১ সালের আগস্টে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম দেশটিতে এমন ইন্টারনেট শাটডাউন হলো।

চলতি মাসের শুরুতে তালেবান নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা একটি ডিক্রি জারি করেন, যেখানে অনৈতিকতা রোধের অংশ হিসেবে কিছু প্রদেশে ফাইবার-অপটিক সংযোগ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, তালেবান সরকারও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ব্যাপকভাবে মেসেজিং অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে থাকে।

ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) তাদের কাবুল ব্যুরো এবং নানগারহার ও হেলম্যান্ড প্রদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

এবার গোটা আফগানিস্তানে বন্ধ মোবাইল ও ইন্টারনেট সেবা

আপডেট সময় : ০১:০৮:১৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

আফগানিস্তানে সোমবার সারাদিন ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন সেবা কার্যত বন্ধ ছিল। মঙ্গলবার (৩০ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে, দেশজুড়ে ফাইবার-অপটিক সেবা বন্ধ করে দেওয়ার কারণে এই ব্ল্যাকআউট ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ঘটনাটিকে তালেবানের অনৈতিকতার বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ হিসেবেই দেখা হচ্ছে। তবে তালেবান প্রশাসন এ বিষয়ে কোনো তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যা দেয়নি। খবর দিয়েছে ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তালেবান কর্মকর্তারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ছবি, ভিডিও ও লেখাসহ অনৈতিক কনটেন্ট নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন। এ সময় কিছু প্রদেশে ফাইবার-অপটিক সংযোগও বিচ্ছিন্ন করা হয়।

আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট নজরদারি সংস্থা নেটব্লকস জানিয়েছে, দেশজুড়ে ধাপে ধাপে ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

তাদের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আফগানিস্তান বর্তমানে পূর্ণমাত্রার ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউটের মুখে রয়েছে, কারণ তালেবান কর্তৃপক্ষ নৈতিকতা-সংক্রান্ত পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে।

ওয়েবসাইটে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, এই পদক্ষেপ সাধারণ জনগণের বাইরের বিশ্বের সঙ্গে যোগাযোগের সক্ষমতাকে কঠোরভাবে সীমিত করতে পারে।

২০২১ সালের আগস্টে তালেবান ক্ষমতা দখলের পর এই প্রথম দেশটিতে এমন ইন্টারনেট শাটডাউন হলো।

চলতি মাসের শুরুতে তালেবান নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা একটি ডিক্রি জারি করেন, যেখানে অনৈতিকতা রোধের অংশ হিসেবে কিছু প্রদেশে ফাইবার-অপটিক সংযোগ বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, তালেবান সরকারও অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক যোগাযোগের জন্য ব্যাপকভাবে মেসেজিং অ্যাপ ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার করে থাকে।

ইন্টারনেট না থাকায় অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) তাদের কাবুল ব্যুরো এবং নানগারহার ও হেলম্যান্ড প্রদেশের সাংবাদিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেনি।