ঢাকা ০৬:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৩:০০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুন ২০২২
  • / 664
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ। ক্ষামতাসীন দলের এমপিরা এতে ভোট দেবেন। যদি তিনি হেরে যান তাহলে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। এর আগে নিজ দলের ৫০ এমপি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আবেদন করে চিঠি দিয়েছেন। খবর বিবিসির।

এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে জানানো হয়েছে যে, বরিস জনসন অনাস্থা ভোটকে স্বাগত জানিয়েছেন। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান হবে বলেও জানানো হয়।

করোনা মহামারিতে যুক্তরাজ্যে যখন কঠোর বিধিনিষেধ চলে তখন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে মদের পার্টির আয়োজন করে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন বরিস জনসন। এমনকি তার পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। ক্ষুব্দ হন নিজ দলের এমপিরা।

শুধু লকডাউনের মধ্যে মদের পার্টির আয়োজনে যোগ দেওয়া নয়, বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে, গত বছরের ১৭ এপ্রিল ফিলিপের শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার সময়ও ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টির আয়োজন করা হয়। আর সেটি ছিল বরিস জনসনের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক জেমস স্ল্যাকের বিদায় উপলক্ষে। সারাদেশে তখন ফিলিপের মৃত্যুতে জাতীয় শোক চলছিল। তবে এ ঘটনায় রানির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। দিয়েছেন মোটা অঙ্কের জরিমানাও।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন

আপডেট সময় : ০৩:০০:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ জুন ২০২২

ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ। ক্ষামতাসীন দলের এমপিরা এতে ভোট দেবেন। যদি তিনি হেরে যান তাহলে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হবে। এর আগে নিজ দলের ৫০ এমপি তার বিরুদ্ধে অনাস্থা ভোটের আবেদন করে চিঠি দিয়েছেন। খবর বিবিসির।

এদিকে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে জানানো হয়েছে যে, বরিস জনসন অনাস্থা ভোটকে স্বাগত জানিয়েছেন। এ পদক্ষেপের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান হবে বলেও জানানো হয়।

করোনা মহামারিতে যুক্তরাজ্যে যখন কঠোর বিধিনিষেধ চলে তখন ১০ নম্বর ডাউনিং স্ট্রিটে মদের পার্টির আয়োজন করে দেশজুড়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন বরিস জনসন। এমনকি তার পদত্যাগের দাবিও জোরালো হয়। ক্ষুব্দ হন নিজ দলের এমপিরা।

শুধু লকডাউনের মধ্যে মদের পার্টির আয়োজনে যোগ দেওয়া নয়, বরিস জনসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠে, গত বছরের ১৭ এপ্রিল ফিলিপের শেষকৃত্য সম্পন্ন হওয়ার সময়ও ডাউনিং স্ট্রিটে পার্টির আয়োজন করা হয়। আর সেটি ছিল বরিস জনসনের যোগাযোগবিষয়ক পরিচালক জেমস স্ল্যাকের বিদায় উপলক্ষে। সারাদেশে তখন ফিলিপের মৃত্যুতে জাতীয় শোক চলছিল। তবে এ ঘটনায় রানির কাছে ক্ষমা চেয়েছেন তিনি। দিয়েছেন মোটা অঙ্কের জরিমানাও।