ঢাকা ০৬:২১ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
লন্ডনে উচ্চ শিক্ষার স্বপ্নের সাথে প্রাণও গেল সিলেটের শাকিলের ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের বিশেষ উপদেষ্টার পদ ছাড়লেন ব্রিটিশ আইনজীবী  বিএনপির গুরুতর অভিযোগ : জামায়াত বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করছে দ্বৈত নাগরিকত্ব জটিলতায় বৈধ অন্তত ২০ প্রার্থী, বাতিল ২, স্থগিত ১ তারেক রহমানের চলন্ত গাড়িতে লাগানো খামে কী লেখা, কেনো লাগানো হলো জামায়াত প্রার্থীর উপস্থিতিতে বিএনপি সমর্থকদের গলা কেটে নেওয়ার হুমকি দেশের প্রথম প্রকাশ্য বক্তব্যে যা বললেন জাইমা রহমান ডাকসুর কনসার্টে বিনামূল্যে সিগারেট ও বিপরীত স্লোগান, কী ঘটেছিলো টাওয়ার হ্যামলেটসে লেবার পার্টির বেথনাল গ্রিন ওয়েস্ট ওয়ার্ডে দেলওয়ার সভাপতি, মিছবাহ সম্পাদক হাসনাতের আসনে বিএনপি প্রার্থী মঞ্জুরুলের মনোনয়ন বাতিল

২৬ বাংলাদেশিকে নিয়ে লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৪ জনের লাশ উদ্ধার

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫
  • / 118
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে কমপক্ষে চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।

রেড ক্রিসেন্টের এক বিবৃতির বরাতে আল জাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপকূলীয় শহর আল-খোমসের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম নৌকাটিতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ২৬ জন ছিলেন, এদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্য নৌকাটিতে ছিলেন ৬৯ জন; এর মধ্যে দুই জন মিশরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাদের পরিস্থিতি কী হয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। রেড ক্রিসেন্ট জানায়, ওই নৌকায় আট জন শিশু ছিল।

ত্রিপোলির পূর্বদিকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উপকূলীয় শহর আল-খোমস ইউরোপমুখী অবৈধ অভিবাসীদের প্রধান রুটগুলোর একটি।

২০১১ সালে নেটো-সমর্থিত গণবিক্ষোভে মোয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে পালানো মানুষের ইউরোপগামী যাত্রার অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।

নৌকাডুবিতে নিহতদের মরদেহ সারিবদ্ধভাবে কালো ব্যাগে মোড়ানো অবস্থার একটি ছবি প্রকাশ করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।
আরেক ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া মানুষদের কম্বল জড়িয়ে প্রাথমিক সেবা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ার কোস্টগার্ড এবং আল-খোমস বন্দরের নিরাপত্তা বাহিনী দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। শহরের পাবলিক প্রসিকিউশনের নির্দেশনায় মরদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বুধবার জানায়, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন নিখোঁজ হয়েছেন এবং তাদের মৃত বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। এই তেলক্ষেত্রটি লিবিয়ার উত্তর–উত্তর-পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় অবস্থিত।

অক্টোবরের মাঝামাঝি ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে সেপ্টেম্বরে আইওএম জানায়, লিবিয়া উপকূলে ৭৫ সুদানি শরণার্থী বহনকারী একটি নৌকায় আগুন লাগার পর কমপক্ষে ৫০ জন মারা যান।

গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিওনসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে তাদের আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এসব কেন্দ্রে অভিবাসী ও শরণার্থীদের ওপর নির্যাতন, সহিংসতা ও হত্যার অভিযোগ করে আসছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

২৬ বাংলাদেশিকে নিয়ে লিবিয়া উপকূলে নৌকাডুবি, ৪ জনের লাশ উদ্ধার

আপডেট সময় : ১১:৫৪:০৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৬ নভেম্বর ২০২৫

লিবিয়ার উপকূলে অভিবাসী ও আশ্রয়প্রার্থীদের বহনকারী দুটি নৌকা ডুবে কমপক্ষে চার জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।

রেড ক্রিসেন্টের এক বিবৃতির বরাতে আল জাজিরা জানায়, বৃহস্পতিবার রাতে উপকূলীয় শহর আল-খোমসের কাছাকাছি এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রথম নৌকাটিতে বাংলাদেশ থেকে যাওয়া ২৬ জন ছিলেন, এদের মধ্যে চার জনের মৃত্যু হয়েছে।
অন্য নৌকাটিতে ছিলেন ৬৯ জন; এর মধ্যে দুই জন মিশরীয় এবং বেশ কয়েকজন সুদানি নাগরিক ছিলেন। তাদের পরিস্থিতি কী হয়েছে, তা পরিষ্কার নয়। রেড ক্রিসেন্ট জানায়, ওই নৌকায় আট জন শিশু ছিল।

ত্রিপোলির পূর্বদিকে প্রায় ১১৮ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত উপকূলীয় শহর আল-খোমস ইউরোপমুখী অবৈধ অভিবাসীদের প্রধান রুটগুলোর একটি।

২০১১ সালে নেটো-সমর্থিত গণবিক্ষোভে মোয়াম্মার গাদ্দাফির পতনের পর থেকেই লিবিয়া সংঘাত ও দারিদ্র্য থেকে পালানো মানুষের ইউরোপগামী যাত্রার অন্যতম ট্রানজিট পয়েন্টে পরিণত হয়েছে।

নৌকাডুবিতে নিহতদের মরদেহ সারিবদ্ধভাবে কালো ব্যাগে মোড়ানো অবস্থার একটি ছবি প্রকাশ করেছে লিবিয়ান রেড ক্রিসেন্ট।
আরেক ছবিতে দেখা যায়, উদ্ধার হওয়া মানুষদের কম্বল জড়িয়ে প্রাথমিক সেবা দিচ্ছেন স্বেচ্ছাসেবীরা।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, লিবিয়ার কোস্টগার্ড এবং আল-খোমস বন্দরের নিরাপত্তা বাহিনী দুর্ঘটনার পর উদ্ধারকাজে অংশ নেয়। শহরের পাবলিক প্রসিকিউশনের নির্দেশনায় মরদেহগুলো সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম বুধবার জানায়, আল বুরি তেলক্ষেত্রের কাছে একটি রাবারের নৌকা ডুবে কমপক্ষে ৪২ জন নিখোঁজ হয়েছেন এবং তাদের মৃত বলেই ধরে নেওয়া হচ্ছে। এই তেলক্ষেত্রটি লিবিয়ার উত্তর–উত্তর-পশ্চিম সমুদ্র এলাকায় অবস্থিত।

অক্টোবরের মাঝামাঝি ত্রিপোলির পশ্চিম উপকূলে ৬১ জন অভিবাসীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এর আগে সেপ্টেম্বরে আইওএম জানায়, লিবিয়া উপকূলে ৭৫ সুদানি শরণার্থী বহনকারী একটি নৌকায় আগুন লাগার পর কমপক্ষে ৫০ জন মারা যান।

গত সপ্তাহে জেনেভায় জাতিসংঘের এক বৈঠকে যুক্তরাজ্য, স্পেন, নরওয়ে ও সিয়েরা লিওনসহ কয়েকটি দেশ লিবিয়াকে তাদের আটককেন্দ্রগুলো বন্ধ করার আহ্বান জানায়। মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে এসব কেন্দ্রে অভিবাসী ও শরণার্থীদের ওপর নির্যাতন, সহিংসতা ও হত্যার অভিযোগ করে আসছে।