ঢাকা ০৩:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ জানুয়ারী ২০২৬, ১৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :

সিলেটে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় তারেক : ‘তাদের আমরা স্বাধীনতার সময় দেখেছি’

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৭:৪১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬
  • / 93
অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়—সবার আগে বাংলাদেশ’—এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘যেমন দিল্লি নয়, তেমন পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। এবং যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষই হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক সব ক্ষমতার উৎস। সে জন্যই আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বিশ্বাস করি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘কেউ কেউ বলে, অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। প্রিয় ভাইবোনেরা, ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধ, যে যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি, সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাঁদের ভূমিকার জন্য এই দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন। এই দেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তাঁদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট নগরের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিএনপি দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কুফরির বিরুদ্ধে, এই হঠকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের টেক ব্যাক বাংলাদেশে থাকতে হবে। আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি। এখন মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোট, শুধু কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে না, মানুষকে সাবলম্বী করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘কাবা শরিফের মালিক কে? এই দিনদুনিয়া, আমরা যে পৃথিবী দেখি, এই পৃথিবীর মালিক কে? এই সূর্য–নক্ষত্র যা দেখি, এর মালিক কে? বেহেশতের মালিক কে? দোজখের মালিক কে?’

উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ‘আল্লাহ’ বলে সাড়া দিলে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা সকলেই সাক্ষ্য দিলেন, পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই, যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কী অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তাহলে কী দাঁড়াল? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দিব, ওই দিব বলছে, টিকিট দেব, বলছে না? যেটার মালিক মানুষ নয়, সেটার কথা যদি সে বলে, তাহলে সেটা শিরক করা হচ্ছে না? যেটার মালিক আল্লাহ একমাত্র। সবকিছুর ওপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পর কেমন ঠকানো ঠকাবে, আপনারা বুঝেন এবার।’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে একের পর এক নির্বাচনে ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে, কীভাবে আমি–ডামি নির্বাচন হয়েছে, কীভাবে নিশিরাতে নির্বাচন হয়েছে। এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে কীভাবে দেশের মানুষের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।’

সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে তারেক রহমান দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন এবং প্রায় আধা ঘণ্টা বক্তব্য দেন। তার আগেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে নেতা–কর্মীরা ‘দুলা ভাই, দুলা ভাই’ স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন। তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। এর আগে শহরতলীর বিমানবন্দর এলাকায় গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে প্রায় শতাধিক তরুণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। মঞ্চে সিলেট বিভাগের চার জেলার সংসদীয় আসনের বিএনপি-মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

জনসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। মঞ্চে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান, বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতা বক্তব্য দেন।

এর আগে সকাল থেকেই সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের নেতা–কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসেন। তাঁরা ধানের শীষ, বিএনপি, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে স্লোগান দেন। অনেকে মাথায় ধানের শীষের ছবিসংবলিত টুপি এবং কপালে দলীয় পতাকা বেঁধে সভায় যোগ দেন। বাইরে থাকা ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের কাছ থেকে প্লাস্টিকের ধানের শীষ কিনেও অনেকে জনসভায় অংশ নেন।

ইলিয়াস আলী প্রসঙ্গও উঠে আসে

আজকের জনসভায় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে বারবার উঠে আসে বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর নাম। সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্য ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে ‘গুম’ হন।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে ইলিয়াস আলীসহ সিলেট অঞ্চলের গুমের শিকার বিএনপির বিভিন্ন নেতা–কর্মীর নাম উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ইলিয়াস আলীর প্রসঙ্গ তোলেন।

এদিকে মাঠের এক পাশে গুম ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বসার জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ করে রাখা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আনোয়ারুল ইসলাম অভি

সম্পাদক; ৫২বাংলাটিভি ডটকম
ট্যাগস :

সিলেটে প্রথম নির্বাচনী জনসভায় তারেক : ‘তাদের আমরা স্বাধীনতার সময় দেখেছি’

আপডেট সময় : ০৭:৪১:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬

নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই ‘দিল্লি নয়, পিন্ডি নয়—সবার আগে বাংলাদেশ’—এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেন, ‘যেমন দিল্লি নয়, তেমন পিন্ডি নয়, নয় অন্য কোনো দেশ। সবার আগে বাংলাদেশ। এবং যেহেতু আমরা বিশ্বাস করি, দেশের মানুষই হচ্ছে আমাদের রাজনৈতিক সব ক্ষমতার উৎস। সে জন্যই আমরা দেশের মানুষের ভাগ্যোন্নয়নে বিশ্বাস করি।’

তারেক রহমান বলেন, ‘কেউ কেউ বলে, অমুককে দেখেছি, তমুককে দেখেছি। এবার একে দেখেন। প্রিয় ভাইবোনেরা, ১৯৭১ সালে যে যুদ্ধ, যে যুদ্ধে লক্ষ মানুষের প্রাণের বিনিময়ে এই দেশ স্বাধীন হয়েছে, আমাদের এই প্রিয় মাতৃভূমি, সেই মাতৃভূমিকে স্বাধীন করার সময় অনেকের ভূমিকা আমরা দেখেছি। যাঁদের ভূমিকার জন্য এই দেশের লক্ষ লক্ষ ভাইয়েরা শহীদ হয়েছেন। এই দেশের লক্ষ লক্ষ মা-বোনদের সম্মানহানি হয়েছে। তাঁদের তো বাংলাদেশের মানুষ দেখেই নিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) সিলেট নগরের সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত বিএনপির প্রথম নির্বাচনী জনসভায় দেশবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে তারেক রহমান ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

বিএনপি দেশের প্রতিটি মানুষকে স্বাবলম্বী হিসেবে গড়ে তুলতে চায় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এই কুফরির বিরুদ্ধে, এই হঠকারিতার বিরুদ্ধে, এই মিথ্যার বিরুদ্ধে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের টেক ব্যাক বাংলাদেশে থাকতে হবে। আমরা দেশকে স্বৈরাচার থেকে মুক্ত করেছি। এখন মানুষের অধিকারকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। শুধু ভোট, শুধু কথা বলার অধিকার প্রতিষ্ঠিত করলে হবে না, মানুষকে সাবলম্বী করে নিজের পায়ে দাঁড়ানোর ব্যবস্থা করতে হবে।’

বক্তব্যের একপর্যায়ে তিনি জনসভায় উপস্থিত জনতার উদ্দেশে প্রশ্ন রাখেন, ‘কাবা শরিফের মালিক কে? এই দিনদুনিয়া, আমরা যে পৃথিবী দেখি, এই পৃথিবীর মালিক কে? এই সূর্য–নক্ষত্র যা দেখি, এর মালিক কে? বেহেশতের মালিক কে? দোজখের মালিক কে?’

উপস্থিত সবাই একসঙ্গে ‘আল্লাহ’ বলে সাড়া দিলে তারেক রহমান বলেন, ‘আপনারা সকলেই সাক্ষ্য দিলেন, পৃথিবীর মালিক আল্লাহ, বেহেশতের মালিক আল্লাহ, কাবার মালিক আল্লাহ। আরে ভাই, যেটার মালিক আল্লাহ, সেটা কী অন্য কেউ দেওয়ার ক্ষমতা রাখে? রাখে না। তাহলে কী দাঁড়াল? নির্বাচনের আগেই একটি দল এই দিব, ওই দিব বলছে, টিকিট দেব, বলছে না? যেটার মালিক মানুষ নয়, সেটার কথা যদি সে বলে, তাহলে সেটা শিরক করা হচ্ছে না? যেটার মালিক আল্লাহ একমাত্র। সবকিছুর ওপরে আল্লাহর অধিকার। কাজেই আগেই তো আপনাদের ঠকাচ্ছে, নির্বাচনের পর কেমন ঠকানো ঠকাবে, আপনারা বুঝেন এবার।’

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘১৫ থেকে ১৬ বছর ধরে আমরা দেখেছি কীভাবে একের পর এক নির্বাচনে ব্যালট বক্স ছিনতাই হয়েছে, কীভাবে আমি–ডামি নির্বাচন হয়েছে, কীভাবে নিশিরাতে নির্বাচন হয়েছে। এই তথাকথিত নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষের ভোটের অধিকার তথা রাজনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা দেখেছি, বিগত ১৫ থেকে ১৬ বছরে উন্নয়নের নাম করে কীভাবে দেশের মানুষের সম্পদ লুটপাট করে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়েছে।’

সকাল ১০টা ৫০ মিনিটে কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে জনসভা শুরু হয়। সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপি এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির উদ্যোগে আয়োজিত এ সমাবেশে তারেক রহমান দুপুর ১২টা ২৫ মিনিটে মঞ্চে ওঠেন এবং প্রায় আধা ঘণ্টা বক্তব্য দেন। তার আগেই সমাবেশস্থল জনসমুদ্রে পরিণত হয়।

তারেক রহমান মঞ্চে উঠলে নেতা–কর্মীরা ‘দুলা ভাই, দুলা ভাই’ স্লোগানে পুরো এলাকা মুখর করে তোলেন। তিনি হাত নেড়ে উপস্থিত নেতা–কর্মীদের শুভেচ্ছা জানান। এর আগে শহরতলীর বিমানবন্দর এলাকায় গ্র্যান্ড সিলেট হোটেল অ্যান্ড রিসোর্টে প্রায় শতাধিক তরুণ শিক্ষার্থীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন তিনি।

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী। মঞ্চে সিলেট বিভাগের চার জেলার সংসদীয় আসনের বিএনপি-মনোনীত ও সমর্থিত প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। সভা সঞ্চালনা করেন মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রেজাউল হাসান কয়েস লোদী ও সাধারণ সম্পাদক ইমদাদ হোসেন চৌধুরী।

জনসভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন। মঞ্চে তারেক রহমানের স্ত্রী জুবাইদা রহমান, বিএনপি-মনোনীত প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারাও উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া স্থানীয় পর্যায়ের অনেক নেতা বক্তব্য দেন।

এর আগে সকাল থেকেই সিলেট ও সুনামগঞ্জ জেলার বিভিন্ন সংসদীয় আসনের নেতা–কর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল নিয়ে জনসভাস্থলে আসেন। তাঁরা ধানের শীষ, বিএনপি, জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের নামে স্লোগান দেন। অনেকে মাথায় ধানের শীষের ছবিসংবলিত টুপি এবং কপালে দলীয় পতাকা বেঁধে সভায় যোগ দেন। বাইরে থাকা ভ্রাম্যমাণ দোকানিদের কাছ থেকে প্লাস্টিকের ধানের শীষ কিনেও অনেকে জনসভায় অংশ নেন।

ইলিয়াস আলী প্রসঙ্গও উঠে আসে

আজকের জনসভায় ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে বারবার উঠে আসে বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এম ইলিয়াস আলীর নাম। সিলেট-২ (বিশ্বনাথ ও ওসমানীনগর) আসনের সাবেক এই সংসদ সদস্য ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার বনানী থেকে ‘গুম’ হন।

তারেক রহমান তাঁর বক্তব্যে ইলিয়াস আলীসহ সিলেট অঞ্চলের গুমের শিকার বিএনপির বিভিন্ন নেতা–কর্মীর নাম উল্লেখ করেন। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও ইলিয়াস আলীর প্রসঙ্গ তোলেন।

এদিকে মাঠের এক পাশে গুম ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বসার জন্য আলাদা জায়গা নির্ধারণ করে রাখা হয়।