ঢাকা ০৬:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জানুয়ারী ২০২৬, ১২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
কারাবন্দী ছাত্রলীগ নেতার স্ত্রী–সন্তানের মৃত্যু নিয়ে প্রশ্ন পোস্টাল ব্যালট কয়টার মধ্যে পাঠাতে হবে জানালো ইসি নির্বাচনে অনিয়ম ছাড়া জামায়াতের ক্ষমতায় আসা সম্ভব নয়: হর্ষবর্ধন শ্রিংলা বাংলাদেশের বিশ্বকাপ শেষ, জায়গা পেল স্কটল্যান্ড ছেলে এনসিপির প্রার্থী, বাবা ভোট চাইছেন বিএনপির পক্ষে টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে না খেললে বাংলাদেশের আর্থিক ক্ষতি কতটা? নির্বাচনী প্রচারে মুখোমুখি বিএনপি-জামায়াত টুঙ্গিপাড়ায় বিএনপির ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী, বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করে প্রচারণা শুরু ‘একটা দল ভোট দখলের চেষ্টা করছে’, সতর্ক থাকতে বললেন তারেক তারেক রহমানের জনসভায় শাবিপ্রবি ভিসি–প্রোভিসির উপস্থিতি, ছবি–ভিডিও ছড়িয়ে পড়ায় বিতর্ক

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

৫২ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 181

হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে খালেদা জিয়াকে। ফােইল ছবি

অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা এগারো দিন ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “যদি সবকিছু ঠিক থাকে, আমরা কাতার রয়্যাল এয়ার এম্বুলেন্সের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আজকে এই মধ্যরাত্রের পরে অথবা আগামীকাল সকালের ভিতর উনাকে ইউকেতে, অর্থাৎ লন্ডনে, একটা নির্ধারিত হসপিটাল আমরা ঠিক করেছি, সেখানে আমরা উনাকে নিয়ে যাব।”

জাহিদ হোসেন জানান, কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং বিদেশ থেকে আসা দুইজন চিকিৎসক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন।

যাত্রাপথে কোনো ধরনের জটিলতা এড়াতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়ে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি নেতা জাহিদ।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে চীনও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সেটিতে জ্বালানি নিতে মাঝপথে নামার প্রয়োজন হতো, অর্থাৎ সরাসরি লন্ডনে যাওয়া সম্ভব ছিল না। সব বিবেচনায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান কাতারের আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সই বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন বলে বিএনপির একজন নেতা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করেই চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে কিছুদিন লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার উন্নতি হলে তিনি তারেক রহমানের বাসায় ছিলেন। বেশ সুস্থ হয়ে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত

আপডেট সময় : ০৩:৫৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে টানা এগারো দিন ধরে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

কাতারের আমিরের বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর তাকে লন্ডনে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক অধ্যাপক এজেডএম জাহিদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (৪ নভেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের বাইরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি বলেন, “যদি সবকিছু ঠিক থাকে, আমরা কাতার রয়্যাল এয়ার এম্বুলেন্সের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে আজকে এই মধ্যরাত্রের পরে অথবা আগামীকাল সকালের ভিতর উনাকে ইউকেতে, অর্থাৎ লন্ডনে, একটা নির্ধারিত হসপিটাল আমরা ঠিক করেছি, সেখানে আমরা উনাকে নিয়ে যাব।”

জাহিদ হোসেন জানান, কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক এবং বিদেশ থেকে আসা দুইজন চিকিৎসক এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে খালেদা জিয়ার সঙ্গে থাকবেন।

যাত্রাপথে কোনো ধরনের জটিলতা এড়াতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়ে খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া চান তার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও বিএনপি নেতা জাহিদ।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হলে চীনও এয়ার অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সেটিতে জ্বালানি নিতে মাঝপথে নামার প্রয়োজন হতো, অর্থাৎ সরাসরি লন্ডনে যাওয়া সম্ভব ছিল না। সব বিবেচনায় খালেদা জিয়ার বড় ছেলে তারেক রহমান কাতারের আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সই বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্ত দেন বলে বিএনপির একজন নেতা জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য, আমিরের এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করেই চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি চিকিৎসার জন্য লন্ডনে গিয়েছিলেন খালেদা জিয়া। সেখানে কিছুদিন লন্ডন ক্লিনিকে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নেওয়ার পর অবস্থার উন্নতি হলে তিনি তারেক রহমানের বাসায় ছিলেন। বেশ সুস্থ হয়ে গত ৬ মে তিনি দেশে ফেরেন।